পাসপোর্ট প্রতি অতিরিক্ত টাকা, গোপন কোড ব্যবহারসহ চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালাল চক্রের দৌরত্ম্য বন্ধ ও গ্রাহক সচেতন করলো ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।
বুধবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মামুন খানের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা গ্রাহকদের সাথে কথা বলেন ও তাদের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে অফিসের কর্মকর্তা, আনসার এবং অফিসের বাহিরের দোকানদারদের কে সর্তক করেন। এছাড়াও দালালদের সাথে কোন ধরনের লেনদেন না করার জন্য গ্রাহকদের সচেতন করা হয়। এসময় মতলব দক্ষিণ উপজেলার মোঃ মিরাজের পাসপোর্ট করতে অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা ফেরত দেয় দালাল চক্র।
পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. মামুন খান জানান, দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সামনে দালালরা কম্পিউটারের দোকান দিয়ে পাসপোর্ট করে দেওয়ার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে পাসপোর্ট অফিসের নামে ৯ থেকে ১৫ হাজার টাকা কন্ট্রাক্ট করে। এতে গ্রাহকরা হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে। হয়রানী বন্ধে জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাইয়ের নির্দেশ দালাল চক্রের দৌরত্ম্য বন্ধে দোকানে দোকানে গিয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়। দালালদের সাথে কোন ধরনের লেনদেন না করার জন্য গ্রাহকদের সচেতন করা হয়। এছাড়াও চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক দালাল নির্মূলে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মোঃ মিরাজ জানায়, আমি পাসপোর্টেরর আবেদনের জন্য কম্পিটারের দোকানে যাই। দোকানদার আমাকে কোন ধরনের হয়রানি করা হবে না বলে অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা নেয়। পরে ছাত্রদল নেতা মামুন ভাইয়ের সহায়তায় দোকানদার ২ হাজার টাকা ফিরিয়ে দেন। অতিরিক্ত টাকা ছাড়া আমি পাসপোর্টের কাজ সম্পন্ন করেছি।
এসময় পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কাউছার আহম্মেদ, জেলা ছাত্রদলের নেতা মিশু, শাকিল আহমেদ, সুজন, রুবেল, আনোয়ার, ১৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মহন মুন্সী, সানি, জিয়া, মেহেরাজ, মামুন, রায়হান, জনি, রিয়াদ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, আমার এরিয়ার মধ্যে দালালদের কোন দৌরত্য নেই। কেউ যদি অফিসের বাহিরে দালালের প্রতারণার শিকার হয় তার দায়ভার আমার নয়। দালাল নির্মূলে সবসময় আমরা প্রশাসনকে অবহিত করে থাকি। যে কোন প্রয়োজনে গ্রাহকরা আমার কাছে চলে আসবেন, আমার দরজা সবসময় আপনাদের জন্য খোলা আছে।