ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে ট্রাফিক বিভাগে যোগদান করেই যানজট নিরসনে ইন্সপেক্টর বুরহান উদ্দিন সেলিমের তৎপরতা

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৬:৫০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • 354
খন্দকার আরিফ :
হাজীগঞ্জ বাজার যেন ব্যস্ততম একটি নগরীর নাম, জেলার অন্যান্য উপজেলার তুলনায় এই উপজেলা জেলা শহরের নিকটবর্তী হওয়া এ শহরে বানিজ্যিক ভাবে মানুষের যাতায়াত বেশি, যানজটে ভরা বিরক্তির, অস্বস্তির কারণ শহরের প্রধান সড়ক দখল করে বিভিন্ন যানবাহনে মালামাল লোড-আনলোড, মানুষের যাতায়াতের পথ ফুটপাত দখল করে অস্থায়ী ভ্রাম্যমান দোকানপাট, গাড়ি পার্কিং সহ অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিক্সার ফলে এই বাজার যেন বিরক্তির হয়ে উঠেছে। যানজটের বিষয় নিয়ে চাঁদপুর বার্তাকে একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নয়া যোগদানকৃত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর বুরহান উদ্দিন সেলিম।
তিনি জনদুর্ভোগ লাঘবে ট্রাফিকসহ হাজীগঞ্জ পৌরসভা ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতি দ্রুত সমন্বিতভাবে কাজ করলে জনদুর্ভোগ লাঘব সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে মনে করেন। বাজারে যানজট হলেই দায়ী করা হয় ট্রাফিক পুলিশকে। কোন ব্যক্তি বা সংস্থার কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে সেটা মানুষ জানতে চান না। সেজন্য যত সমস্যাই থাকুক, যানজট নিরসন করতে হয় ট্রাফিক পুলিশকেই। অথচ যানজটের কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে হকার, ড্রাইভারদের আইন অমান্য করার প্রবণতা ও অবৈধ পার্কিং।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর বুরহান উদ্দিন সেলিম বলেন, বাজারে যানজটের অন্যতম একটি কারণ যানবাহন চালকদের বেপরোয়া মনোভাব। রাস্তায় গাড়ি নিয়ে নামার পর তাদের মধ্যে আইন অমান্য করার প্রতিযোগিতা চলে। নিজেদের অপরাধকে অপরাধই মনে করেন না তারা। খেয়াল খুশিমতো গাড়ি চালানোর কারণেই যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনাও বেড়ে যায়। এর কারণ হিসেবে তিনি মনে করেন, ট্রাফিক পুলিশের যেসব আইন ও বিধি-বিধানে শাস্তি ও জরিমানার কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। এজন্য চালকরা জেনেশুনেই অপরাধ করেন ও করতে পছন্দ করেন। কিভাবে অপরাধ করা যায়, সেই প্রতিযোগিতা চলে। তাদের খেয়াল খুশিমতো গাড়ি চালানো বন্ধ করতে হলে এক্ষেত্রে চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান করতে হবে। সেটা আর্থিক কিংবা লাইসেন্স জব্দ করে নির্ধারিত সময়ের জন্য প্রশিক্ষণে যেতে বাধ্য করতে হবে। তাহলে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে যাবে। এখানে যোগদানের দুই মাসে চালকদের বিরুদ্ধে প্রায় ২ শ’মামলা দিয়েছেন। সে সাথে যানজট নিরসনকল্পে তিনি আন্তরিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
পুলিশকেও একটি সেবামূলক সংস্থা মনে করেন বুরহান উদ্দিন। তার মতে, দেশের সবচেয়ে বেশি জনসম্পৃক্ত বাহিনী হচ্ছে এই পুলিশ। তিনি বলেন, অভিযোগের শেষ নেই পুলিশের বিরুদ্ধে। ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকতেই পারে। কিন্তু পুলিশের কাছ থেকেই মানুষ সবচেয়ে বেশি সেবা পায়। শহরবাসী এ থেকে পরিত্রান পেতে হলে আমাদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে বাজারের যানজটের শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জের বাকিলা খলাপাড়ায় ৬৫ বছরের বৃদ্ধ নিখোঁজ, উদ্বেগে স্বজনরা

হাজীগঞ্জে ট্রাফিক বিভাগে যোগদান করেই যানজট নিরসনে ইন্সপেক্টর বুরহান উদ্দিন সেলিমের তৎপরতা

আপডেট : ০৬:৫০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
খন্দকার আরিফ :
হাজীগঞ্জ বাজার যেন ব্যস্ততম একটি নগরীর নাম, জেলার অন্যান্য উপজেলার তুলনায় এই উপজেলা জেলা শহরের নিকটবর্তী হওয়া এ শহরে বানিজ্যিক ভাবে মানুষের যাতায়াত বেশি, যানজটে ভরা বিরক্তির, অস্বস্তির কারণ শহরের প্রধান সড়ক দখল করে বিভিন্ন যানবাহনে মালামাল লোড-আনলোড, মানুষের যাতায়াতের পথ ফুটপাত দখল করে অস্থায়ী ভ্রাম্যমান দোকানপাট, গাড়ি পার্কিং সহ অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিক্সার ফলে এই বাজার যেন বিরক্তির হয়ে উঠেছে। যানজটের বিষয় নিয়ে চাঁদপুর বার্তাকে একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নয়া যোগদানকৃত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর বুরহান উদ্দিন সেলিম।
তিনি জনদুর্ভোগ লাঘবে ট্রাফিকসহ হাজীগঞ্জ পৌরসভা ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতি দ্রুত সমন্বিতভাবে কাজ করলে জনদুর্ভোগ লাঘব সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে মনে করেন। বাজারে যানজট হলেই দায়ী করা হয় ট্রাফিক পুলিশকে। কোন ব্যক্তি বা সংস্থার কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে সেটা মানুষ জানতে চান না। সেজন্য যত সমস্যাই থাকুক, যানজট নিরসন করতে হয় ট্রাফিক পুলিশকেই। অথচ যানজটের কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে হকার, ড্রাইভারদের আইন অমান্য করার প্রবণতা ও অবৈধ পার্কিং।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর বুরহান উদ্দিন সেলিম বলেন, বাজারে যানজটের অন্যতম একটি কারণ যানবাহন চালকদের বেপরোয়া মনোভাব। রাস্তায় গাড়ি নিয়ে নামার পর তাদের মধ্যে আইন অমান্য করার প্রতিযোগিতা চলে। নিজেদের অপরাধকে অপরাধই মনে করেন না তারা। খেয়াল খুশিমতো গাড়ি চালানোর কারণেই যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনাও বেড়ে যায়। এর কারণ হিসেবে তিনি মনে করেন, ট্রাফিক পুলিশের যেসব আইন ও বিধি-বিধানে শাস্তি ও জরিমানার কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। এজন্য চালকরা জেনেশুনেই অপরাধ করেন ও করতে পছন্দ করেন। কিভাবে অপরাধ করা যায়, সেই প্রতিযোগিতা চলে। তাদের খেয়াল খুশিমতো গাড়ি চালানো বন্ধ করতে হলে এক্ষেত্রে চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান করতে হবে। সেটা আর্থিক কিংবা লাইসেন্স জব্দ করে নির্ধারিত সময়ের জন্য প্রশিক্ষণে যেতে বাধ্য করতে হবে। তাহলে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে যাবে। এখানে যোগদানের দুই মাসে চালকদের বিরুদ্ধে প্রায় ২ শ’মামলা দিয়েছেন। সে সাথে যানজট নিরসনকল্পে তিনি আন্তরিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
পুলিশকেও একটি সেবামূলক সংস্থা মনে করেন বুরহান উদ্দিন। তার মতে, দেশের সবচেয়ে বেশি জনসম্পৃক্ত বাহিনী হচ্ছে এই পুলিশ। তিনি বলেন, অভিযোগের শেষ নেই পুলিশের বিরুদ্ধে। ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকতেই পারে। কিন্তু পুলিশের কাছ থেকেই মানুষ সবচেয়ে বেশি সেবা পায়। শহরবাসী এ থেকে পরিত্রান পেতে হলে আমাদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে বাজারের যানজটের শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।