দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে ধেররা দরবার শরীফের পীর ও ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৈয়দ বাহাদুর শাহ জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে সৈয়দ বাহাদুর শাহসহ মোট ৪ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী তাদের জামানত হারান।
আসনটিতে ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ার প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ বাহাদুর শাহ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের মশাল মার্কার প্রার্থী মো. মনির হোসেন মজুমদার, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের ফুলের মালার প্রার্থী বাকীবিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের ছড়ি মার্কার আকতার হোসেন।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর সৈয়দ বাহাদুর শাহ ৭ হাজার ১শ’৩৬ ভোট, মো. মনির হোসেন মজুমদার জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ৪ শত ১০ ভোট, বাকীবিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন (ফুলের মালা) পেয়েছেন ৫শ’৫৬ ভোট ও আকতার হোসেন (ছড়ি) প্রতীক নিয়ে ১৩৭ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট ছড়ি প্রতীকের প্রার্থী আকতার হোসেন ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হাজীগঞ্জ উপজেলার ১১নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে চাপকল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। ওই নির্বাচনেও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের এই প্রার্থী জামানত হারিয়েছিলেন। এমন ব্যক্তিকেই আবার একটি জাতীয় দল জাতীয় প্রতীক দিয়ে চাঁদপুর-৫ আসনে দ্বাদশ নির্বাচনে প্রার্থী দাঁড় করিয়েছেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুসারে, মনোনয়নপত্র কেনার সময় একজন প্রার্থীকে জামানত হিসেবে ২৫ হাজার টাকা নির্বাচন কমিশনে জমা রাখতে হয়। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা তার বেশি ভোট পেলে জামানত হিসেবে রাখা ২৫ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
আসনটিতে পঞ্চমবারের মতো বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর কমান্ডার মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম। তিনি ৮৩ হাজার ২২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন ঈগল প্রতীকে ৩৮ হাজার ৬৩৬ ভোট এবং শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ ট্রাক প্রতীক নিয়ে ২২ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়েছেন।
আসনটিতে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫২ হাজার ৬১৫ জন। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৩ হাজার ৮৭৬ টি। এ ছাড়া সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৯১টি।




















