হাজীগঞ্জের রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন, কর্মীবান্ধব ও নির্ভরযোগ্য নেতৃত্বের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন ত্যাগী নেতা নেছার আহম্মদ চৌধুরী। রাজনীতির মাঠে বারবার জুলুম-নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার ও হামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দলের প্রতি অটল থেকেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কখনো চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি কিংবা দুর্নীতির কোনো অভিযোগ ওঠেনি। এ কারণেই স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি পরিচিত ‘ক্লিন ইমেজের নেতা’ হিসেবে।
দলের কঠিন সময়ে তিনি নিজের পরিবার, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ব্যক্তিগত স্বার্থ ভুলে দলের জন্য সময়, পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় করেছেন নিঃস্বার্থভাবে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে একের পর এক মামলা ও নির্যাতন নেমে এলেও দলকে শক্তিশালী করার কাজে তিনি অবিচল ছিলেন।
সাবেক সভাপতি হিসেবে ৯ নং গন্ধ্যপুর উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রদলকে পুনর্গঠন ও সক্রিয় করতে তাঁর ভূমিকা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়। বর্তমানে তিনি উপজেলা যুবদলের সম্মানিত সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
তাঁর রাজনৈতিক জীবনে মোট ১২টি মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—চাঁদপুর রেলওয়ে মামলা, ফরিদগঞ্জ গাছ কাটা মামলা,যুবদলের শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেওয়ায় দায়ের করা রাজনৈতিক মামলা,টোরাগড় মামলা,এনায়েতপুরের একাধিক গায়েবি মামলা,ইউনিয়নের তিনটি ক্লাব আগুনে পোড়ার মিথ্যা মামলা,বিশেষ ক্ষমতায়ন আইনের মামলা,গায়েবি জানাজার মামলা।
এসব মামলায় তিনি মোট ৮৩ দিন কারাভোগ করেছেন। কারাগারে থাকা অবস্থায়ও তাঁকে নানা ধরনের মানসিক ও শারীরিক চাপ সহ্য করতে হয়েছে বলে জানান তাঁর ঘনিষ্ঠরা। তবুও কোন দিন তিনি দলের প্রতি মনোবল হারাননি। কারা নির্যাতন, হামলা-পিটুনি, ও প্রশাসনিক জুলুম—সবকিছু মাথায় নিয়ে তিনি বারবার মাঠে ফিরে এসেছেন দলের পতাকা উঁচু রাখতে।
ইউনিয়নজুড়ে সাধারণ কর্মী থেকে তরুণ প্রজন্ম পর্যন্ত অনেকেই বলছেন—“নেছার আহমেদের মতো ত্যাগী, নির্যাতিত ও পরীক্ষিত নেতাই ইউনিয়ন যুবদলের নেতৃত্বে সবচেয়ে বেশি যোগ্য।”
তাদের দাবি, উপজেলা যুবদল যেন তাঁর দীর্ঘদিনের ত্যাগ, অবদান ও রাজনৈতিক নিষ্ঠার যথাযথ মূল্যায়ন করে তাকে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়।
নেছার আহম্মদ চৌধুরী বলেন, চাঁদপুর -৫ সংসদীয় আসনের ধানের শীষের কান্ডারী , হাজার হাজার নেতাকর্মীদের অভিভাবক ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয়। তার দিকনির্দেশনা পরামর্শ নিয়ে আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করছি দলকে সুসংগঠিত করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সর্বোচ্চ কাজ করে যাচ্ছি। আগামী দিনেও আমি দলের হয়ে কাজ করে যেতে চাই। দল যদি আমাকে সুযোগ দেয় বড় দায়িত্ব দেয়। আমি সেই দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহল মনে করে—একজন সৎ, নির্যাতিত, সাহসী এবং কর্মীবান্ধব নেতাকে নেতৃত্বে আনা গেলে ইউনিয়ন যুবদল আরও সংগঠিত, শক্তিশালী এবং জনমুখী হয়ে উঠবে।


























