ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলাকান্দা ইউপির নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ৪০ কেজি হারে ১৩৫ জনকে চাউল বিতরন

মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জীবিত নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ৪০ কেজি হারে ১৩৫ জনকে ৫৪০০ কেজি চাউল বিতরন করা হয়।
রবিবার সকালে ইউপি কমপ্লেক্সে এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন,ট্যাগ অফিসার ও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান, প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মেহেদী হাসান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র দাস, কলাকান্দা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ মহসিন মিয়া, ইউপি সদস্য মোঃ মানছুর আহমেদ, মোঃ শামছুদ্দিন ছৈয়াল, নাজনীন সুলতানা রানী, আবুল বাশার, মোঃ সাইদুর রহমান শিবলু, মোঃ মাশরাফি মাসুদ, মোঃ শাহানা সুলতানা’সহ অন্যান্যা কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মেহেদী হাসান বলেন, দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশ। ইলিশ সহ মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ঝাটকা সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে এবং জেলেরাই এর সুফল ভোগ করবেন। তাই বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে নিষিদ্ধ সময়ে ঝাটকা আহরণ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হবে।
সরকার সবসময় জেলেসম্প্রদায়ের পাশে আছে। জেলেদের জীবনমান ও আর্থ–সামাজিক উন্নয়নে সরকার বদ্ধ পরিকর। মৎস্য আহরণের নিষিদ্ধ সময়ে জেলে ভাইদের যাতে বেকার থাকতে না হয় সে লক্ষ্যে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ঋণপ্রদান সহ নানা কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জের বাকিলা খলাপাড়ায় ৬৫ বছরের বৃদ্ধ নিখোঁজ, উদ্বেগে স্বজনরা

কলাকান্দা ইউপির নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ৪০ কেজি হারে ১৩৫ জনকে চাউল বিতরন

আপডেট : ০৭:১২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জীবিত নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ৪০ কেজি হারে ১৩৫ জনকে ৫৪০০ কেজি চাউল বিতরন করা হয়।
রবিবার সকালে ইউপি কমপ্লেক্সে এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন,ট্যাগ অফিসার ও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান, প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মেহেদী হাসান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র দাস, কলাকান্দা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ মহসিন মিয়া, ইউপি সদস্য মোঃ মানছুর আহমেদ, মোঃ শামছুদ্দিন ছৈয়াল, নাজনীন সুলতানা রানী, আবুল বাশার, মোঃ সাইদুর রহমান শিবলু, মোঃ মাশরাফি মাসুদ, মোঃ শাহানা সুলতানা’সহ অন্যান্যা কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মেহেদী হাসান বলেন, দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশ। ইলিশ সহ মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ঝাটকা সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে এবং জেলেরাই এর সুফল ভোগ করবেন। তাই বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে নিষিদ্ধ সময়ে ঝাটকা আহরণ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হবে।
সরকার সবসময় জেলেসম্প্রদায়ের পাশে আছে। জেলেদের জীবনমান ও আর্থ–সামাজিক উন্নয়নে সরকার বদ্ধ পরিকর। মৎস্য আহরণের নিষিদ্ধ সময়ে জেলে ভাইদের যাতে বেকার থাকতে না হয় সে লক্ষ্যে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ঋণপ্রদান সহ নানা কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার।