মতলব উত্তর উপজেলার ১২নং ফরাজিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছেন গোলাম আযম সোহেল। তার প্রার্থীতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে ইউনিয়ন জুড়ে নতুন করে নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাকে ঘিরে আগ্রহ বাড়তে দেখা যাচ্ছে।
গোলাম আযম সোহেল ১নং ওয়ার্ডের আমিনপুর গ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী ও সম্মানিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম তোজাম্মেল সরকারের নাতি এবং সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন সরকারের ভাতিজা। তার পিতা মরহুম সিরাজুল ইসলাম সরকারও এলাকায় একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
পারিবারিকভাবে দীর্ঘদিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্য তাকে জনসেবার প্রতি অনুপ্রাণিত করেছে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং একজন সক্রিয় ছাত্রনেতা হিসেবে এলাকায় পরিচিতি লাভ করেন। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এখন তিনি স্থানীয় উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। প্রার্থীতা ঘোষণা করে তিনি জানান, আমি একটি আধুনিক, উন্নত ও বাসযোগ্য ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সমান সুযোগ পাবে।
তিনি আরও বলেন, তরুণ সমাজকে এগিয়ে নিতে তিনি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। ইউনিয়নে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালু এবং বেকার যুবকদের জন্য চাকরির সুযোগ তৈরি তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
গোলাম আযম সোহেল মনে করেন, একটি ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়নের জন্য সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ জরুরি। তাই তিনি নির্বাচিত হলে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
তার লক্ষ্য ১২ নং ফরাজিকান্দি ইউনিয়নকে একটি আদর্শ মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা।
রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও তিনি সফল একজন উদ্যোক্তা। মতলব উত্তর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নতুন বাজারে মেজবানবাড়ী নামে একটি সুপরিচিত রেস্টুরেন্টের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
এলাকার সচেতন মহলের মতে, তরুণ নেতৃত্ব, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার সমন্বয়ে গোলাম আযম সোহেল আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একজন শক্তিশালী ও সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। এখন দেখার বিষয়, জনগণের আস্থা ও সমর্থন কতটা অর্জন করতে পারেন তিনি এবং তার ঘোষিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ পান কিনা।




















