ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরে কোরবানির পশুর ঘাটতি, খামারিদের চোখে ন্যায্য দামের স্বপ্ন

Oplus_16908288

​আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মতলব উত্তর উপজেলায় কোরবানির পশুর প্রস্তুতি শুরু হলেও এবার চাহিদার তুলনায় পশুর কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে ,২০২৬ সালে এই উপজেলায় কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,৬০০টি। তবে এর বিপরীতে স্থানীয় খামারি ও গৃহস্থদের কাছে বর্তমানে পশুর মজুদ রয়েছে ৫,১২২টি। ফলে আসন্ন ঈদে উপজেলায় প্রায় ৪৭৮টি পশুর ঘাটতি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রস্তুত থাকা ৫,১২২টি পশুর মধ্যে গরু ও মহিষের সংখ্যাই বেশি। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, কোরবানির জন্য ২,১৮৫টি ষাঁড়, ৪৭৭টি বলদ, ৭২১টি গাভী এবং ৮টি মহিষ প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া ছাগল ও ভেড়ার মজুদ রয়েছে যথাক্রমে ১,২২৬টি এবং ১০৯টি।

খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরেই তারা পশু মোটাতাজাকরণ, পরিচর্যা ও বাজারজাতের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। প্রাকৃতিক উপায়ে পশু লালন- পালনে এবার বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। খামারিরা আশা করছেন, বাজারে পশুর চাহিদা ভালো থাকলে তারা ন্যায্য মূল্য পাবেন। উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামের গরু খামারি কবির হোসেন বলেন, “আমরা কোরবানি উপলক্ষে গরু লালন-পালন করি। আমরা চাই আমাদের পশুর নায্য দাম। সেজন্য সরকারের নিকট আবেদন থাকবে, বিগত বছরের মত এবারো যাতে ভারতীয় গরু দেশে না ঢোকে। ভারতীয় গরু না আসলে আমরা আমাদের দেশি গরুর নায্য দাম পাবো।’

​উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র দাস বলেন, প্রতিবছরই কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে খামারিরা পশুর বাড়তি যত্ন নেন। তবে এবারের এই ঘাটতি মেটাতে অন্য জেলা থেকে আসা পশুর ওপর নির্ভর করতে হবে স্থানীয় ক্রেতাদের। প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে খামারিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়ে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জের বাকিলা খলাপাড়ায় ৬৫ বছরের বৃদ্ধ নিখোঁজ, উদ্বেগে স্বজনরা

মতলব উত্তরে কোরবানির পশুর ঘাটতি, খামারিদের চোখে ন্যায্য দামের স্বপ্ন

আপডেট : ০৭:১০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

​আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মতলব উত্তর উপজেলায় কোরবানির পশুর প্রস্তুতি শুরু হলেও এবার চাহিদার তুলনায় পশুর কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে ,২০২৬ সালে এই উপজেলায় কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,৬০০টি। তবে এর বিপরীতে স্থানীয় খামারি ও গৃহস্থদের কাছে বর্তমানে পশুর মজুদ রয়েছে ৫,১২২টি। ফলে আসন্ন ঈদে উপজেলায় প্রায় ৪৭৮টি পশুর ঘাটতি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রস্তুত থাকা ৫,১২২টি পশুর মধ্যে গরু ও মহিষের সংখ্যাই বেশি। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, কোরবানির জন্য ২,১৮৫টি ষাঁড়, ৪৭৭টি বলদ, ৭২১টি গাভী এবং ৮টি মহিষ প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া ছাগল ও ভেড়ার মজুদ রয়েছে যথাক্রমে ১,২২৬টি এবং ১০৯টি।

খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরেই তারা পশু মোটাতাজাকরণ, পরিচর্যা ও বাজারজাতের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। প্রাকৃতিক উপায়ে পশু লালন- পালনে এবার বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। খামারিরা আশা করছেন, বাজারে পশুর চাহিদা ভালো থাকলে তারা ন্যায্য মূল্য পাবেন। উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামের গরু খামারি কবির হোসেন বলেন, “আমরা কোরবানি উপলক্ষে গরু লালন-পালন করি। আমরা চাই আমাদের পশুর নায্য দাম। সেজন্য সরকারের নিকট আবেদন থাকবে, বিগত বছরের মত এবারো যাতে ভারতীয় গরু দেশে না ঢোকে। ভারতীয় গরু না আসলে আমরা আমাদের দেশি গরুর নায্য দাম পাবো।’

​উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র দাস বলেন, প্রতিবছরই কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে খামারিরা পশুর বাড়তি যত্ন নেন। তবে এবারের এই ঘাটতি মেটাতে অন্য জেলা থেকে আসা পশুর ওপর নির্ভর করতে হবে স্থানীয় ক্রেতাদের। প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে খামারিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়ে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।