জমি সংক্রান্ত্র বিরোধে পূর্ব শত্রুতায় ৬৫ বছরের বৃদ্ধ হাজী নাসির উদ্দিনকে মেরে মাথা ফাঁটিয়ে দিয়েছে আপন ছোট ভাই মোবারক হোসেন (৫০) ও ভাতিজা মিনহাজ (২০)। এ ঘটনা মামলা হলে মোবারক হোসেন ও মিনহাজকে থানা পুলিশ আটক করে আদালতে প্রেরণ করে। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
ঘটনাটি ঘটেছে, ১১মার্চ দুপুরে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার জীবগাঁও গ্রামের হাজী নাসির উদ্দিনের বসত বাড়িতে।
ঘটনার দিন গুরুত্বর আহত হাজী নাসির উদ্দিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেন। তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
হাজী নাসির উদ্দিন ও মোবারক হোসেন জীবগাঁও গ্রামের মৃত আবদুল হাসেম প্রধানিয়ার ছেলে। হাজী নাসির উদ্দিন দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন কাটিয়েছেন।
মোবারক হোসেন ও তার ছেলে মিনহাজ প্রায় সময় হাজী নাসির উদ্দিন ও তাঁর পরিবারের সাথে ঝগড়া বিবাদ করতো। এরই জেরে ১১ মার্চ দুপুরে মোবারক, মিনহাজ ও তাদের লোকজন লাঠি-সোডা, চাপাতি, ছেনা, রড ও অন্যান্য অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাজী নাসির উদ্দিনের উপর আক্রমন করে মাথায় আঘাত করলে মাথা ফেঁটে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানেও জখম হয়।
এঘটনায় হাজী নাসির উদ্দিন বাদি হয়ে মোবারক হোসেন, মিনহাজ ও অজ্ঞাতনামা ৪/৫জনকে আসামী করে চাঁদপুর বিজ্ঞ বিচারিক আমলী আদালতে মামলা করে। চাঁদপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াছিন আরাফাত হাজী নাসির উদ্দিনের আবেদন গ্রহণ করে মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ রবিউল হককে মোবারক হোসেন ও মিনহাজের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার নির্দেশ দেন।
মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ রবিউল হক আদেশপ্রাপ্তির সাথে মোবারক হোসেন ও মিনহাজের বিরুদ্ধে মামলা করে তাদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করেন।
অপরদিকে মোবারক হোসেনের স্ত্রী বিউটি বেগম বাদি হয়ে হাজী নাসির উদ্দিন ও তানজিলা বেগমকে আসামী করে চাঁদপুর আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রবিউল হক বলেন, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক মামলা রুজু করে আসামীদের আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।